২ অক্টোবর ২০১২ - ২০:৩০

আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থা (মাজমা)-এর প্রতিনিধিবৃন্দের উপস্থিতিতে তানজানিয়ার রাজধানী দারুস সালামে ‘আল-গাদ্বীর’ মসজিদের উদ্বোধন হয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : তানজানিয়ার রাজধানী দারুস সালামে’র শিয়াদের নতুন মসজিদ; ‘আল-গাদ্বীর মসজিদে’র উদ্বোধন হয়েছে।

মসজিদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থার উচ্চতর পরিষদের সদস্য ‘হুজ্জাতুল ইসলাম মুহাম্মাদ আরাকী’, স্থানীয় ধর্মীয় আলেমবৃন্দ, আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থার মহাসচিবের উপদেষ্টা ‘জনাব আব্বাস হায়দার’, তানজানিয়ায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত জনাব মুওয়াহেদী, স্থানীয় শিয়া কর্মকর্তা এবং শিয়া ও সুন্নি মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন।

আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থার মহাসচিব কয়েক বছর পূর্বে তানজানিয়া সফরকালে দারুস সালামের মুসলমানরা একটি মসজিদ নির্মাণের আবেদন জানান। তার উদ্যোগে দাতা ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এ মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

মসজিদটি ইরানি ডোনার ওয়ালি যাদেহ, দেহকান ও আলামুল হুদা’র আর্থিক সহযোগিতায় একজন ইরানি আর্কিটেক্টের তত্ত্বাবধানে এক হাজার স্কয়ার মিটার আয়তনে নির্মিত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হুজ্জাতুল ইসলাম মুহাম্মাদী আরাকী, ইসলামের প্রাথমিক যুগ হতে ইবাদত এবং বিভিন্ন গঠনমূলক কার্যক্রমে মসজিদের ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন।

মহানবী (স.) এর প্রতি অবমাননার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন : ন্যাক্কার জনক এ পদক্ষেপের নেপথ্যে বিশ্বের বলদর্পী দেশগুলো এবং জায়নবাদের হাত রয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের ন্যায় তানজানিয়ার মুসলমানরা অবমাননাকর এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন –এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন : শত্রুরা এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসলামের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র জাল বুনলেও তারা এর বিপরীত ফল পেয়েছে এবং এর কারণে মুসলমানরা পূনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বিশ্বসংস্থার এ প্রতিনিধিদল এদেশের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ‘কিবাহা’র একটি শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

হুজ্জাতুল ইসলাম আরাকী বার্তা সংস্থা আবনাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে উক্ত কেন্দ্র সম্পর্কে বলেন : এ শিক্ষা কেন্দ্র ১২ বছর পূর্বে ‘হাজ সাহাব’ নামক এক দাতা ব্যক্তির উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে, বর্তমানে উক্ত শিক্ষা কেন্দ্রে ১ হাজার ৫ শত জন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনা করছে।

তিনি বলেন : ঐ স্কুলের ছাত্ররা, স্কুলের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সাথে প্রতি সপ্তাহে কিবাহা শহরে অনুষ্ঠিত জুমআর নামাযে অংশগ্রহণ করে থাকে। এ কারণে শহরটির জুমআর জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত।

হুজ্জাতুল ইসলাম আরাকী বলেন : শিয়া মাযহাবের জ্ঞান ও সংস্কৃতি অর্জনের জন্য এ স্কুলটি একটি উপযুক্ত স্কুল। এখানে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণের ব্যবস্থাও রয়েছে। এখানে সুন্নি ও শিয়া ছাত্র ছাড়াও খ্রিষ্টানরা আহলে বাইত (আ.) এর শিক্ষার সাথে পরিচিতি লাভ করে থাকে।#